Blog

এফিলিয়েট মার্কেটিং কী? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে লাখ টাকা আয় করবেন? (পর্বঃ০১)

যেভাবে আমি মাসে ১ হাজারের ডলারের বেশী আয় করি এবং আপনি ও যেভাবে মাসে হাজার ডলারের বেশী ইনকাম করতে পারেন!

এতো সুন্দর টাইটেল দেখে অবাক না হয়ে পুরোটা পড়বেন। হ্যা ঠিকই ধরেছেন আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে! অর্থাৎ আজকে এই পোস্ট পড়ে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর অনেক কিছু জানতে পারবেন এবং শিখতে পারবেন।

  • শুরুতেই বলি আমি কীভাবে এক হাজার ডলার বা আয় করি! আমি মুলত আমার একটি এফিলিয়েট সাইট হতে মাসে ১০০০$+ আয় করি তো এই আয়ের পিছনের গল্প বলি তাহলে আপনার সব ক্লিয়ার হবে।
    * আমি সবার আগে একটি নিশ পছন্দ করেছি
    * তারপর আমি কিওয়ার্ড পছন্দ করেছি
    * তারপর আমি ডোমেইন কিনেছি
    * ডোমেইন কিনার সাথে হোস্টিং ও কিনেছি
    * তারপর আমি একটি ওয়েবসাইট ডেভলপ করেছি
    * ডেভলপ করার পর আমি আমার কিওায়ার্ড গুলো দিয়ে কন্টেন্ট লিখেছি। এরপর আমি SEO করেছি।

সর্বশেষ আমার কিছু আর্টিকেল গুগলে র‍্যাংক করেছে এবং মানুষ আমার সাইটে ডুকেছে সেই সাথে আমার দেওয়া লিংক হতে তারা আইটেম কিনেছে যার ফলে আমার ইনকাম শুরু হয়েছে।

উপরে আমি কয়েকটি শব্দের নাম বলেছি যেই শব্দগুলো শুনে আপনার হয়তো মাথা হ্যাং করেছে!! তবে ঐ শব্দ গুলো নোট করলেই আপনি সফল এফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন।

চলুন নোট করি এবং জানি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে কী কী লাগবে।

১. নিশ

২. কিওায়ার্ড

৩. ডোমেইন হোস্টিং

৪. ওয়েব সাইট তৈরি

৫. কনটেন্ট বা আর্টিকেল

৬. সার্চ ইঞ্জিন অপটাইমেজশন (SEO)


এখন আমি আপনাকে সহজে বলবো নিশ , কিওয়ার্ড , ডোমেইন হোস্টিং এইগুলো কী? এবং কেনো লাগবে!

সহজ কথায় যদি বলি এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো কমিশনের খেলা, যেমন আপনি ভালো বলতে পারেন, আপনি কোন বড় কোম্পানির জিনিষটা মানুষের কাছে বলে বলে বিক্রি করালেন যার ফলে ঐ বড় কোম্পানি আপনাকে একটি কমিশন দিলো। এই সিস্টেম ডিজিটাল ভাবে যদি চিন্তা করেন তাহলে আপনি আপনার একটি চ্যানেল বা ওয়েবসাইটে কম্পিউটার নিয়ে কোন লেখা লিখলেন, তারপর লেখার সাথে বলে দিলেন যে এই শপ থেকে এই প্রোডাক্টটি কিনেন, তাহলে মানুষ যখন আপনার রিভিউ পড়বে এবং তখনই আপনার লাভ।

সবার আগে জানি এফিলিয়েট মার্কেটিং কী?

সহজ কথায় যদি বলি এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো কমিশনের খেলা, যেমন আপনি ভালো বলতে পারেন, আপনি কোন বড় কোম্পানির জিনিষটা মানুষের কাছে বলে বলে বিক্রি করালেন যার ফলে ঐ বড় কোম্পানি আপনাকে একটি কমিশন দিলো। এই সিস্টেম ডিজিটাল ভাবে যদি চিন্তা করেন তাহলে আপনি আপনার একটি চ্যানেল বা ওয়েবসাইটে কম্পিউটার নিয়ে কোন লেখা লিখলেন, তারপর লেখার সাথে বলে দিলেন যে এই শপ থেকে এই প্রোডাক্টটি কিনেন, তাহলে মানুষ যখন আপনার রিভিউ পড়বে এবং তখনই আপনার লাভ।

এবার চলুন জানি নিশ কী কেনো লাগবে?

আপনি যখনি একটি ওয়েবসাইট করতে চাইবেন তখন তো আপনাকে অব্যশই কোন না কোন টপিক পছন্দ করতে হবে। হতে পারে কম্পিউটার, না হয় হেলথ কিংবা যে কোন কিছু। আপনি যদি এই নিশ পছন্দ ঠিকমত না করতে পারেন তাহলে আপনার সফল হবার সুযোগ খুব কম।

কিওায়ার্ডঃ আপনি নিশ ধরে নিলাম পছন্দ করেই ফেললেন, এখন তো আপনাকে কিওয়ার্ড পছন্দ করতেই হবে! কারণ কিওয়ার্ড পছন্দ না করলে কীভাবে আর্টিকেল লিখবেন? উদাহরনঃ যদি আপনার নিশ হয় health তাহলে কিওয়ার্ড হতে পারে Women’s Health Tips এখন এই উইমেন গুলোই আপনার কিওয়ার্ড। এই কিওয়ার্ড গুলো আপনাকে অনেক চিন্তা করে রিসোর্স করতে হবে। কারণ কিওয়ার্ড রিসার্চ করাই বলে দিবে আপনি কতটা সফল হবেন!

ডোমেইন হোস্টিংঃ আপনি যদি নিশ কিওয়ার্ড ঠিক করেই ফেলেন তাহলে তো আপনার একটি ওয়েবসাইট দরকার হবে তাই না? তাই আপনাকে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং নিতেই হবে।

ওয়েবসাইট তৈরিঃ আপনি ডোমেইন হোস্টিং তৈরি করেই ফেললেন, এখন তো আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করতেই হবে! কারণ ওয়েবসাইট তৈরি না করলে কীভাবে মানুষ আপনার কাছে আসবে?

কন্টেন্ট রাইটিংঃ উপরের সব ঠিক ভাবে করলে আপনাকে আপনার কিওায়ার্ড দিয়ে অব্যশই আর্টিকেল লেখা লাগবে কারণ এটাই আসল খেলা।

SEO: SEO হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটাইমজেশন। আপনি ওয়েবসাইট সফল ভাবে তৈরি করে ফেললেন! এখন যদি আপনার ওয়েবসাইট গুগলে না যায় কিংবা আপনার ওয়েবসাইটে যদি ভিজিটর না আসে তাহলে ইনকাম কীভাবে হবে? তাই SEO মূলত আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াবে।

চাইলে উপরের সব কিছু নিজে করতে পারেন বা শিখতে পারনে অথবা কোন মানুষকে হায়ার করতে পারেন। উপরের সব পয়েন্ট গুলো নিয়ে বিস্তারিত আরেকটি পর্বে লিখবো এবং সরাসরি বলব কীভাবে কোথা থেকে শিখবেন এবং কী কী জিনিষ মেনে চলবেন।
> আর যদি এখন শুরু করতে চান তাহলে গুগলে সার্চ করা শুরু করতে পারেন। যেমন how to find perfect niche আজকে শুধু ব্যাসিক আইডিয়া গুলো দিলাম।
এখন কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেইঃ

এফিলিয়েট মার্কেটার হতে হলে কত সময় লাগবে?

এটা ডিপেন্ড করবে সম্পুর্ন আপনার উপর! অর্থাৎ আপনি কী কী শিখবেন সেটা আপনি ভালো জানেন, কেননা এফিলিয়েটের সাথে যুক্ত আছে আরো অনেক কিছু।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কত বাজেট লাগবে?

এই প্রশ্নের উত্তর অনেকে অনেক ভাবে দিবে, তবে আমার কাছে মনে হয় না খুব বেশী লাগবে। কারণ নিজে একটু চেষ্টা করলে ৫/১০ হাজার দিয়ে শুরু করতে পারেন। কীভাবে ৫/১০ হাজার দিয়ে শুরু করবেন সেটা নিয়ে ও একটি পর্ব লিখবো। এবং আমি নিজেই মাত্র ৩ হাজার টাকা দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করে আজকে আমার ঐ সাইটে ৩ হাজার ডলারের বেশী ইনকাম আছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে কী কী জানা লাগবে?

এই প্রশ্নের উত্তর উপরেই বলেছি, তবে আপনার কী কী দক্ষতা যদি থাকা লাগবে এমনটা ভাবেন তাহলে আমি বলবো কম্পিউটার চালানো জানলেই আপনি শুরু করতে পারবেন। তবে ইংলিশ স্কিল ভালো হতে হবে অথবা আর্টিকেল অন্যকে দিয়ে লিখাতে হবে।

এফিলিয়েট কী শুধু ওয়েবসাইট বানিয়ে করে?

নাহ! এফিলিয়েট আপনি যে শুধু ওয়েবসাইট দিয়েই করবেন এমন নয়! আপনি চাইলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল, পারসোনাল আইডি এমনকি আপনার কোন ফেসবুক গ্রুপ বা ইন্সাগ্রাম আইডি দিয়েই করতে পারবেন। মোট কথা যেখানেই মানুষ নিয়ে আসতে পারবেন সেখান থেকেই ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবো?

ঐ যে বললাম চাইলে ইউটিউব চ্যানেল দিয়েই করতে পারবেন, এখন যদি আপনি স্মার্ট হন তাহলে কেনো নয়?

আশা করি সবার ব্যাসিক জিনিষ গুলো ক্লিয়ার হয়েছে। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এবং খুব শীগ্রই দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করবো।

যুক্ত থাকুন আমাদের সফল ফ্রিল্যান্সার ‘র এর ফেসবুক গ্রুপে।

নোটঃ আগামীমাসের (নবেম্বর ২) তারিখ আমাদের এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সের রেজিষ্ট্রেশন শুরু হবে। সেই কোর্সে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন হাতেকলমে।